শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:২৬ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
নরসিংদী, রংপুর, খুলনা, বাগেরহাট, দিনাজপুর ও খাগড়াছড়িতে জেলা প্রতিনিধি আবশ্যক। প্রার্থীকে অবশ্যই অধুমপায়ী ও স্নাতক ডিগ্রী পাশ হতে হবে। ই-মেইলে আবেদন করুন। 

অধ্যাপক মুনতাসীর মামুনের বিরুদ্ধে করা প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ানের মামলা স্থগিত

  • আপডেট: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২০, ৬.৪২ পিএম

শিকড় নিউজ ডেস্ক :

‘বাংলাদেশ চর্চা/৩’ বইয়ের সম্পাদক অধ্যাপক গবেষক মুনতাসীর মামুনের বিরুদ্ধে ৫০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ানের করা মানহানি মামলার কার্যক্রম ছয় মাসের জন্য স্থগিত রাখার আদেশে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

ওই মানহানি মামলার বিরুদ্ধে মুনতাসীর মামুনের করা রিভিশন আবেদনের শুনানি নিয়ে সোমবার ৩১ আগস্ট বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দস ও বিচারপতি কাজী ইবাদত হোসেনের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল সহ এ আদেশ দেন। আদালতে মুনতাসীর মামুনের আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এ কে রাশেদুল হক।

একইসঙ্গে তামাদি সাপেক্ষে বিচারিক আদালতে দায়ের হওয়া মামলাটি বাতিল চেয়ে মুনতাসীর মামুনের আবেদন খারিজ করা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।
এর আগে ২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে মুনতাসীর মামুন সম্পাদিত ‘বাংলাদেশ চর্চা/৩’ বইটি প্রকাশিত হয়। এ বইয়ের লেখক মো. আবু বকর সিদ্দিকীর ‘মুক্তিযুদ্ধে দৌলতপুর: একটি সমীক্ষা’ শিরোনামের প্রবন্ধে শান্তি কমিটির সদস্যদের নামের তালিকায় ৩৬ নম্বর ক্রমিকে উঠে আসে মন্নুজান সুফিয়ানের বাবা মৃত মোসলেম বাওয়ালীর নাম।

পরবর্তীতে ২০১৮ সালের ১ জুলাই বইটির সম্পাদক মুনতাসীর মামুনের কাছে একটি আইনি নোটিস পাঠান মন্নুজান সুফিয়ান। পরে মুনতাসীর মামুন সেই নোটিসের জবাব দেন। এরপর একই বছরের ১৯ জুলাই পুনরায় মুনতাসীর মামুনকে আইনি নোটিস পাঠান মন্নুজান সুফিয়ান। ওই নোটিসে বইয়ে প্রকাশিত তথ্যের দায় স্বীকার করে ক্ষমা চেয়ে তা প্রত্যাহার করতে বলা হয় এবং লেখক আবু বকর সিদ্দিকীর বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়। কিন্তু মুনতাসীর মামুন এ বিষয়ে তথ্য দিতে রাজি হননি।
পরে প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ান ২০১৯ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার তৃতীয় জেলা জজ আদালতে মুনতাসীর মামুনসহ চার জনের বিরুদ্ধে ৫০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ চেয়ে মানহানির মামলা করেন।

পরে ২০১৯ সালের ২২ জুলাই তামাদি আইনের ২৪ অনুচ্ছেদ উল্লেখ করে মামলাটি বাতিল চেয়ে জজ আদালতে আবেদন করেন মুনতাসীর মামুন। কিন্তু চলতি বছরের গত ২৩ জানুয়ারি মুনতাসীর মামুনের সেই আবেদনটি খারিজ করে দেন আদালত। এরপর ওই খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে গত ২৬ আগস্ট হাইকোর্টে রিভিশন আবেদন করেন মুনতাসীর মামুন। সেই রিভিশন আবেদনের শুনানি নিয়ে স্থগিতাদেশসহ রুল জারি করলেন আদালত।

এসএন/মাসুম

শেয়ার করুন

এই বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© ২০১৯  শিকড়নিউজ২৪.কম সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত |
Developed by POPCORN
themesbazshikornew23234
© ২০১৯  শিকড়নিউজ২৪.কম সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত |
Theme Download From ThemesBazar.Com